কানাডার ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময় বিলম্বের কার আপনি কি বর্তমানে কানাডার ভিসায় বিলম্বের সম্মুখীন হচ্ছেন ? উদাহরণ স্বরূপ , ধরা যাক আপনি ইমিগ্রেশন অফিসে ওয়ার্ক পারমিট বা স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করেছেন ( যা সাধারণত প্রক্রিয়া করতে 3 থেকে 6 মাস সময় লাগে ) এবং এখনও কোনও উত্তর পাননি বা আপনার ভিসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আমরা কল্পনা করতে পারি আপনি কতটা চিন্তিত হতে পারেন ! কানাডার অনেক ইমিগ্রেশন ভিসা প্রোগ্রামগুলির মধ্যে একটির জন্য আবেদন করার সবচেয়ে কঠিন অংশ হল আসন্ন কিছুই ছাড়া অবিরাম অপেক্ষা করা। যেহেতু প্রক্রিয়াটি জটিল হতে পারে , তাই অনেক কারণ বিদ্যমান যা বিলম্বের ব্যাখ্যা করতে পারে। আমরা চারটি কারণ লিখেছি যা কানাডার ভিসা অনুমোদনে আপনার বিলম্ব ব্যাখ্যা করতে পারে। কানাডার ভিসায় বিলম্বের ব্যাখ্যা আপনার কানাডা ভিসা আবেদনে বিলম্বের জন্য এখানে কিছু সম্ভাব্য ব্যাখ্যা রয়েছে। ফি অফ পেমেন্ট না আমরা সবাই জানি , ভি...
Posts
কানাডা ওয়ার্ক পারমিট
- Get link
- X
- Other Apps
By
Rahman's World
-
আপনারা যারা কানাডায় ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় যেতে আগ্রহী, তাদের জন্য এই পোস্ট। কানাডা জব ক্যাটাগরি এ, বি, সি ডি ইত্যাদিতে ভাগ করা হয়েছে। আপনার যোগ্যতা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ি সেই জবে দেশে বসেই আবেদন করতে পারেন। তবে আপনার জন্য নির্ধারিত জবটিই বেছে নিতে হবে। এ ও বি ক্যাটাগরিতে অভিজ্ঞতা ছাড়া কোনোভাবেই নিয়োগ দেবে না। আর ওয়ার্ক পারমিট পেতে ধৈর্য ও প্রচেষ্টার বিকল্প নেই। ওয়ার্ক পারমিট খুঁজে নিতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন। মনে রাখবেন, এটা কানাডা সরকারের একটি ওয়েবসাইট। ওয়ার্ক পারমিট (জব অফার) তবে একটা অনুরোধ, ফেসবুকে চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে আকৃষ্ট হয়ে সর্বস্বান্ত হবেন না। যদি সত্যিকার কারো কানাডা যাবার ইচ্ছে থাকে, তবে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। যেভাবেই হোক, সম্পূর্ণ লিগ্যাল উপায়ে পাঠানো হবে। Share Facebook Twitter Instagram Linkedin Gmail hotmail yahoo আমাকে পেতেঃ Facebook Twitter Instagram Linkedin youtube tumblr Wordpress Ello Freelancer.com Upwork Belancer Blog Youtu...
এবার আসছে লাইফাইঃ ওয়াইফাইয়ের দিন শেষ
- Get link
- X
- Other Apps
By
Rahman's World
-
এবার আসছে লাইফাইঃ ওয়াইফাইয়ের দিন শেষ ওয়াইফাইয়ের তুমুল জনপ্রিয়তার দিন বুঝি এবার শেষ হতে চলল। তবে ভয়ের কারণ নেই , আসছে এর থেকেও সহজ ও উন্নত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি লাইফাই। বলা হচ্ছে , ৪ গিগাবাইট স্টোরেজের একটি সিনেমা ডাউনলোড করতে সময় লাগবে মাত্র কয়েক সেকেন্ড। তাও আবার একটি বৈদ্যুতিক বাতির তলায় দাঁড়ালেই ! বিশ্বাস করতে কষ্ট হলেও এমনই এক প্রযুক্তি আসছে। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে বড় স্টোরেজের গেম , সিনেমা সবই ডাউনলোড হবে চোখের পলকে। লাইফাইয়ের পূর্ণরূপ লাইট ফিডেলিটি (Light Fidelity) । ২০১১ সালে স্কটল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব এডিনবার্গের জার্মান বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানী হ্যারল্ড হ্যাস প্রথম ‘ লাইফাই ’ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন। এ প্রযুক্তিতে আলোর মাধ্যমে তথ্য আদান - প্রদান করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে প্রযুক্তিটি দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গকে যোগাযোগ মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করে। যেখানে ওয়াইফাইয়ে ব্যবহৃত হয় অদৃশ্য বেতার তরঙ্গ। যেহেতু লাইফাই ওয়াইফাইয়ের তুলনায় বেশি ব্যান্ডউইথ , ব্যবহারের সহজতা , দক্ষতা এবং স...